একটি সন্ত্রাস ও লুটপাটহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণই ১১ দলের ঐক্যের মূল লক্ষ্য: মামুনুল হক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন, যেখানে তিনি অত্যন্ত জোরালোভাবে দাবি করেন যে স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও এদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কোনো আমূল পরিবর্তন আসেনি; বরং ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও জনগণের ওপর শোষণ, জুলুম, সীমাহীন দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের যে সংস্কৃতি তা পূর্বের ধারাবাহিকতায় এখনো বলবৎ রয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদী অপরাজনীতির চিরস্থায়ী অবসান ঘটানোর লক্ষ্যেই ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণআকাঙ্ক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমেই সন্ত্রাস ও লুটপাটের রাজনীতিকে চিরতরে বিদায় জানাতে হবে। মাওলানা মামুনুল হক দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, ১৯৭১ সালে বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্নে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, তা আজ দেশীয় লুটেরা গোষ্ঠীর কারণে ম্লান হয়ে গেছে—পূর্বে বিদেশি শাসকরা এদেশ লুটতরাজ করত, আর এখন তথাকথিত দেশীয় শাসকরাই সাধারণ মানুষের সম্পদ পাচার করে বিদেশে ‘বেগমপাড়া’ গড়ে তুলেছে। আলিয়া-কওমি মাদ্রাসা ও পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে ঐক্যবদ্ধ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে, সেই ত্যাগের মহিমাকে সমুন্নত রাখতে তিনি ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান এবং জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দিয়ে একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ গঠনের সংগ্রামকে বেগবান করার অনুরোধ করেন।
Shamiur Rahman
