গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আহমাদুল্লাহ
বাংলাদেশের ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, ১২ ফেব্রুয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের মাত্র এক দিন আগে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে
বাংলাদেশের ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, ১২ ফেব্রুয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের মাত্র এক দিন আগে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে তাঁর সুষ্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। বুধবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি ঘোষণা করেন যে, দেশের ইতিবাচক সংস্কার ও কাঠামোগত পরিবর্তনের স্বার্থে তাঁরা 'হ্যাঁ' রায়ের সপক্ষে দাঁড়িয়েছেন, তবে এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তিনি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ও দাবির কথা তুলে ধরেছেন। শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, প্রস্তাবিত সকল সংস্কার কার্যক্রম অবশ্যই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে এবং এই প্রক্রিয়ায় যেন কোনো প্রকার বিচ্যুতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের ওপর বড় দায়িত্ব বর্তাবে। তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলেছেন যে, চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেম সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য, যাতে এই পরিবর্তন কেবল লৌকিক না হয়ে ধর্মীয় ও নৈতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য যে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে, যেখানে ভোটাররা দুটি ভিন্ন রঙের ব্যালট পেপার হাতে পাবেন। সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত 'সাদা ব্যালট' এবং সংবিধান ও রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দেওয়ার জন্য 'গোলাপি ব্যালট' ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের নাগরিকরা যুগপৎভাবে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন এবং আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা নির্ধারণে অংশ নেবেন। শায়খ আহমাদুল্লাহর এই আহ্বান মূলত 'হ্যাঁ' ভোটকে কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং ধর্মীয় মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি উন্নততর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার অঙ্গীকার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে।
Shamiur Rahman
