আবার বাড়ছে ডিমের দাম, পেঁয়াজ পার করেছে সেঞ্চুরি
এই দুই পণ্যের পাশাপাশি ভরা মৌসুমে এখনো চড়া শীতকালীন সবজির বাজার। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে শীতকালীন প্রতিটি সবজি
গেল শুক্রবারেই নতুন পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু কয়েকদিনের ব্যবধানেই সব রকম পেঁয়াজের দাম গিয়েছে ১০০ টাকার উপরে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত শুক্রবার যেখানে পেঁয়াজ দেশিটা (পুরাতন) ১২০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে আজ সেগুলোর দামও কিছুটা বাড়তি। অথচ গত সপ্তাহজুড়ে নতুন পেঁয়াজ ৭০ টাকা, দেশি (পুরাতন) ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গতকাল প্রকাশ করা বাজারদরের প্রতিবেদনেও।
এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি নতুন দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এই পেঁয়াজের দাম ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজের দাম পড়েছে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ২৩ ও ২৬ শতাংশ।
অন্যদিকে বাজারে ডিমের দামও বাড়তির দিকে। গত দুই-তিন দিনে ডিমের দাম প্রতি ডজনে অন্তত ৫ টাকা বেড়েছে। বাজারে এখন প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। অন্যদিকে সাদা রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়।
ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বাজারে ডিম কম আসছে। ফলে ডিমের দাম বাড়তির দিকে। টিসিবির হিসাবে গত এক সপ্তাহে ডিমের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ডিমের বাজারে অস্থিরতা শুরু হলে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সরকার প্রতিটি ডিমের দাম ১২ টাকা (ডজন ১৪৪ টাকা) নির্ধারণ করে দেয়। এ ছাড়া ১৫টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ভারত থেকে ১৫ কোটি ডিম আমদানির অনুমতিও দিয়েছিল সরকার।
অনুমতি দেওয়ার দেড় মাসের বেশি সময় পরে একটি চালানে মাত্র ৬১ হাজার ৯৫০টি ডিম বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসে। তখন শুল্কসহ প্রতিটি ডিমের দাম পড়ে ৭ টাকা ২৩ পয়সা।
এই দুই পণ্যের পাশাপাশি ভরা মৌসুমে এখনো চড়া শীতকালীন সবজির বাজার। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে শীতকালীন প্রতিটি সবজি।
Shamiur Rahman
