দেশের খ্যাতিমান কার্টুনিস্ট এম এ কুদ্দুসের মৃত্যুতে গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির শোক
শনিবার (১৫ জুলাই) ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ মামুন শেখ ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কান্তি জয়ধর এই শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সিনিয়র সহ-সভাপতি কার্টুনিস্ট এম এ কুদ্দুসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতি।
শনিবার (১৫ জুলাই) ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ মামুন শেখ ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কান্তি জয়ধর এই শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় তারা বলেন, এম এ কুদ্দুসের মতো সাংবাদিক ও সংগঠক বেঁচে থাকলে আমাদের সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারতেন। তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু গণমাধ্যমের বেদনাবিধুর বিয়োগান্তক ঘটনা।
ভোর ৪টার দিকে রাজধানীর নাখালপাড়ার বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এম এ কুদ্দুস। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জোহরের নামাজের পর জাতীয় প্রেস ক্লাবে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ নেওয়া হয় তার নিজ জেলা রাজবাড়ীতে।
সেখানে বিকেল ৫টায় রাজবাড়ী প্রেসক্লাব, রাজবাড়ী রিপোর্টার্স ইউনিটি, জেলা প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব, জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুবলীগসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক সংগঠন তার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানায়।
এরপর তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় তার গ্রামের বাড়িতে। সেখানে মাগরিবের নামাজের পর বেনিনগর ইসলামপুর ঈদগাহ মাঠে মাগরিবের তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামের আজিরন নেছা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এম এ কুদ্দুস সর্বশেষ দৈনিক সংবাদে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকসহ আরও কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে কাজ করেছেন।
এম এ কুদ্দুস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারুকলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পত্র-পত্রিকায় কার্টুন একে তিনি অনেক সুনাম অর্জন করেন।
Shamiur Rahman
