প্রবাসী আয়ে বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে বাংলাদেশ
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সাত শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০২২ সালের মতো এবারও বাংলাদেশের আগে থাকছে ভারত, মেক্সিকো, চীন, ফিলিপাইন, মিসর ও পাকিস্তান
এবারও (২০২৩ সাল) প্রবাসী আয়ে বিশ্বে সপ্তম স্থানে অবস্থান করবে বাংলাদেশ, এমনটাই মনে করছে বিশ্বব্যাংক। গত বছরও একই অবস্থানে ছিল দেশটি।
তবে ২০২২ সালে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়প্রাপ্তিতে নেতিবাচক ধারা থাকলেও এ বছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনের পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (কেএনওএমএডি) মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এক প্রতিবেদনে জানায় যে বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সাত শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০২২ সালের মতো এবারও বাংলাদেশের আগে থাকছে ভারত, মেক্সিকো, চীন, ফিলিপাইন, মিসর ও পাকিস্তান।
এদিকে বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ বলা হয়েছে, নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে প্রবাসী আয়প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ ২০২৩ সালের শেষেও সপ্তম স্থানে থাকবে। আর এই তালিকায় যথারীতি সবার ওপরে থাকবে ভারত।
চলতি বছর ভারতের প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১২৫ বিলিয়ন বা ১২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। অপরদিকে এই বছরের শেষে আনুষ্ঠানিক তথা বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশের মোট প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। ২০২৪ সালেও এই আয় ২৩ বিলিয়ন ডলারে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, আমদানি বিল পরিশোধে ডলার সংকটের পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডলার সংকটের কারণে টাকার বিনিময় হার বেড়ে যাচ্ছে।
আরও বলা হয়, টাকার অবমূল্যায়ন ও সরকারের মুদ্রা বিনিময় হার নীতির কারণে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিবাসীরা হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে ৬৩০ বিলিয়ন ডলার পৌঁছায়। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় এই প্রবাহ কমে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ৪ দশমিক ২ শতাংশ বাড়ে।
Shamiur Rahman
