ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও দুর্নীতির অভিযোগ
উক্ত মানহানির মামলাটি খারিজের পেছনে বড় ধরণের আর্থিক লেনদেন বা অবৈধ প্রভাব থাকতে পারে—এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিচারক বা অভিযুক্তদের বক্তব্য অদ্যাবধি পাওয়া যায়নি
ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে ঘিরে বিচারিক অনিয়ম ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এক সরকারি কর্মকর্তা সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগপত্রে উক্ত আবেদনকারী জানান যে তিনি সিআর মামলা নং ১৬৩/২০২৫ (শেরে বাংলা নগর)-এর বাদী। পূর্বে তিনি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পে উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা তাকে অন্যায়ভাবে অপসারণ করেন এবং পরবর্তীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যের মাধ্যমে তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করেন। এই ঘটনায় তিনি আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মানহানি মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য ও প্রমাণাদি উপেক্ষা করা হয়েছে এবং তদন্তে অসঙ্গতি ও পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। পাশাপাশি, মামলার এক আসামি মোঃ আব্দুর রহিম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সাক্ষাৎ করে মামলা খারিজ করার জন্য তাকে প্রভাবিত করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
আবেদনকারী আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট দিনের আদালত প্রাঙ্গণের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও পরীক্ষা করা হলে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটিত হতে পারে।
এছাড়া, যথাযথ সাক্ষ্য যাচাই ও জেরা ছাড়াই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। উক্ত মানহানির মামলাটি খারিজের পেছনে বড় ধরণের আর্থিক লেনদেন বা অবৈধ প্রভাব থাকতে পারে—এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিচারক বা অভিযুক্তদের বক্তব্য অদ্যাবধি পাওয়া যায়নি।
আবেদনকারী সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
Shamiur Rahman
