নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরীক্ষায় জালিয়াতি চক্রের হোতা গ্রেপ্তার
গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত রবিবার (৩১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন আফতাবনগরের নন-কাবাব রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে তাকে নগদ অর্থসহ গ্রেপ্তার করে যৌথবাহিনী
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরীক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত মো. মিজানুর রহমান ওরফে মুন কামাল (এক্সামিনার জাহিদ) অবশেষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ধরা পড়েছেন।
গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত রবিবার (৩১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন আফতাবনগরের নন-কাবাব রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে তাকে নগদ অর্থসহ গ্রেপ্তার করে যৌথবাহিনী।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর রহমান স্বীকার করেছে যে, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কয়েকজন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার সহায়তায় তিনি সিডিসি সনদ, মাস্টার ড্রাইভার সনদ পরীক্ষা, পশুর নদীর নদীজ্ঞান পরীক্ষা, মেরিন একাডেমিতে ভর্তিসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় জালিয়াতি চালিয়ে আসছিলেন। এই বিষয়ে বাড্ডা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে, ৯ আগস্ট নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অধীনে অনুষ্ঠিত ‘সমন্বিত নাবিক রেটিং ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫’ চলাকালীন সময়ে ২২ জন পরীক্ষার্থীকে ডিজিটাল ডিভাইসসহ পরীক্ষা দেওয়ার অপরাধে আটক করা হয়েছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও এক দালালের সন্ধান পাওয়া যায়, যাকে পরবর্তীতে গ্রেপ্তার করা হয়।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছি। এই চক্রটিকে ধরে আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল। এদের পেছনে যারা রয়েছে, বিশেষ করে অধিদপ্তরের ভেতরের যারা জড়িত, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। তবেই ডিওএস এর অধীনে পরিচালিত পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা আনা সম্ভব হবে।
Shamiur Rahman
