দশ দেশের যৌথ বিবৃতি
ইয়েমেনে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান সৌদির
মূলত হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই যুদ্ধের ঢেউই পৌঁছেছে লোহিত সাগরে। গাজায় বোমা হামলা শুরুর পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে লোহিত সাগরে
আরব লোহিত সাগর অঞ্চলে চলমান সামরিক অভিযান ও ইয়েমেনের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে আমেরিকা ও ব্রিটেনের হামলার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানায়।
বিবৃতিতে সৌদি আরব বলে, “যদিও লোহিত সাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা একটি আন্তর্জাতিক দাবি। কেননা, এটি সমগ্র বিশ্বের স্বার্থের ক্ষতি করে। তবে এই অঞ্চল যে ঘটনাগুলো প্রত্যক্ষ করছে তার আলোকে সৌদি আরব লোহিত সাগরে আরও উত্তেজনা এড়ানো ও হামলার বিষয়ে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
এদিকে, এই হামলার বিষয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে লোহিত সাগরে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গঠিত মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত ১০ দেশ।
এই দেশ গুলো হল- অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, কানাডা, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে হুথিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদয়ের “ব্যাপক ঐকমত্যের” কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গত মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের কথাও বলা হয়েছে, যাতে বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে জাহাজে তাদের হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
ইয়েমেনের অধিকাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে। গাজায় ইসরায়েল-হামাস সংঘাতে তারা দৃঢ়ভাবে হামাসকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। মূলত হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই যুদ্ধের ঢেউই পৌঁছেছে লোহিত সাগরে। গাজায় বোমা হামলা শুরুর পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে লোহিত সাগরে।
ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সমর্থন জানাতেই সেখানে হামলা শুরুর ঘোষণা দেয় হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে দিতে হব
Shamiur Rahman
