‘তামাক পণ্যের ওপর উচ্চ করারোপের বিকল্প নেই’

Published: 04 April 2021 16:04

তামাকের ওপর উচ্চহারে কর আরোপ না করা গেলে তামাক নিয়ন্ত্রণের জাতীয় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি সব অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, তামাকবিহীন দেশ গড়তে তামাক পণ্যের ওপর আরও কার্যকর করারোপের বিকল্প নেই। তামাকের ওপর উচ্চহারে কর আরোপ না করা গেলে তামাক নিয়ন্ত্রণের জাতীয় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি সব অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

গতকাল শনিবার (৩ এপ্রিল) বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘উন্নয়ন সমন্বয়’ আয়োজিত ‘তামাক ব্যবহার কমাতে করারোপ: বাজেট ২০২১-২২-এর ভাবনা’ শিরোনামের ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এই আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক রুহুল হক। মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। 

ড. আতিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন তা বাস্তবায়নে তামাক পণ্যের ওপর আরও কার্যকর করারোপ এখন সময়ের দাবি। এজন্য আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেট, বিড়ি, গুল ও জর্দার ঘোষিত খুচরা মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি সবগুলোর উপর সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব তিনি উত্থাপন করেন।

তিনি আরও বলেন, এই প্রস্তাবনা যদি বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে একদিকে যেমন লাখ লাখ মানুষকে ধূমপান থেকে বিরত করা যাবে, অন্যদিকে আহরিত রাজস্ব ১২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে।

আলোচনায় অধ্যাপক রুহুল হক বলেন, তামাকের ওপর বড় মাত্রায় কর আরোপ না করা গেলে তামাক নিয়ন্ত্রণের জাতীয় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি তামাক নিরোধে সামাজিক সচেতনতাও বাড়াতে হবে। ন্যাশনাল টোবাকো কন্ট্রোল সেলের কো-অর্ডিনেটর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ এই আলোচনায় অংশ নেন। 

Shamiur Rahman

Related