পাখি দুটি বনে ফেরার আগে দুই মাস দেখে গেল মানুষের ভালবাসা
দীর্ঘ দুই মাসের নিবিড় পরিচর্যায় সুস্থ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) জেলা শহরের সজ্জনকান্দা টিঅ্যান্ডটি পাড়া এলাকায় সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী বাড়ির পাশে পাখি দুটিকে অবমুক্ত করা হয়
বনে ফিরে যাবার আগে রাজবাড়ীতে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা বিলুপ্তপ্রায় ২টা কানাকুয়ার বাচ্চা পাখি কয়েকজন মানবিকতা সম্পন্ন ব্যক্তির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং পরম যত্নে রক্ষা পেয়েছে।
দীর্ঘ দুই মাসের নিবিড় পরিচর্যায় সুস্থ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) জেলা শহরের সজ্জনকান্দা টিঅ্যান্ডটি পাড়া এলাকায় সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী বাড়ির পাশে পাখি দুটিকে অবমুক্ত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. খায়ের উদ্দীন আহমেদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পোল্ট্রি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মেহেদী হাসান, আহত কানাকুয়া পালনকারী সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী, পাখি দুটি উদ্ধারকারী আশরাফুল আলম আক্কাস, সোনিয়া আক্তার স্মৃতি প্রমূখ।
জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে রাজবাড়ী সদরের খানগঞ্জের বেলগাছি স্টেশন এলাকায় বাসা ভেঙে মাটিতে পরে মারাত্মকভাবে আহত হয় ৭ দিন বসয়ী দুটি কানাকুয়ার বাচ্চা। পরে পাখির বাচ্চা দুটিকে স্থানীয় লালনভক্ত আক্কাস উদ্ধার করে চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য প্রাণিসম্পদ অফিসসহ ৯৯৯-এ ফোন করে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হন।
পরে সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তীকে বিষয়টি জানালে তিনি চারুকারুর শিল্পি আবু আব্দুল্লাহ স্বপন ও অনন্ত সরকারকে পাঠিয়ে কানাকুয়ার বাচ্চা দুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে তার তত্ত্বাবধানে রেখে চিকিৎসা করেন।
সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই পশু-পাখি লালনপালন করি। সেই জায়গা থেকে পশুপাখির প্রতি আমার আলাদা একটি টান রয়েছে। যখন খবর পাই দুটি কানাকুয়ার বাচ্চা অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে তখন সেই বাচ্চা দুটিকে আমার তত্ত্বাবধানে নিয়ে এসে চিকিৎসা করি। প্রায় দুই মাস লালন পালনের পর পাখি দুটি অবমুক্ত করলাম।
সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. খায়ের উদ্দিন আহমেদ বলেন, সাংবাদিক লিটন চক্রবর্তী পাখি দুটিকে লালন পালন করে অবমুক্ত করেছে। সমাজের প্রতি মানুষেরই পশুপাখির প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত।
Shamiur Rahman
