অবৈধ সম্পদ অর্জন-মানি লন্ডারিং মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড
Published:
25 February 2026 13:02
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের একসময়ের প্রতাপশালী নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের পৃথক দুটি অভিযোগে সর্বমোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের একসময়ের প্রতাপশালী নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের পৃথক দুটি অভিযোগে সর্বমোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এই যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেন, যেখানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের অধীনে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে ১০ বছর এবং অর্থপাচারের দায়ে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, যা অনাদায়ে তাঁকে আরও অতিরিক্ত ১৬ মাস কারাগারে থাকতে হবে।
রায়ে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই দুই ধারার সাজা একটির পর একটি কার্যকর হবে এবং তাঁর মাধ্যমে অর্জিত সমস্ত অবৈধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করা হবে। মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে সম্রাট ও তাঁর সহযোগী আরমানকে গ্রেফতারের পর ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় প্রদান করা হয়, যদিও বর্তমানে পলাতক থাকায় সম্রাট আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাননি। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সম্রাটের জামিন বাতিল করে বিচারিক কার্যক্রম বেগবান করা হয়েছিল এবং গ্রেফতারের সময় তাঁর কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র, মাদক ও বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় পৃথক আইনি প্রক্রিয়া চললেও আজ অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ের মাধ্যমে তাঁর সাজা চূড়ান্ত করা হলো।
Shamiur Rahman
