অভিনন্দন- মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ-এর ২২ তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু। অভিনন্দন- মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে। সবচেয়ে বেশি অভিনন্দন পাওয়ার অধিকার যিনি রাখেন তিনি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ-এর ২২ তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু। অভিনন্দন- মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে। সবচেয়ে বেশি অভিনন্দন পাওয়ার অধিকার যিনি রাখেন তিনি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দ্য ফিন্যান্স টু’ডে পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন।
রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন তা আবারো প্রমাণিত হলো। তিনি শুধু বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য প্রধানমন্ত্রীই নন, তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী। তার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে যে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানকে ঘিরে যার অধীনে ও নির্দেশনায় পরিচালিত হবে নির্বাচন, তিনি হলেন ২২ তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তিনি শুধু একজন ব্যক্তিই নন, তার প্রথম পরিচয় তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা। একজন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা তিনি তাঁর বুকে লালন করেন দেশপ্রেম- আর সেই দেশপ্রেম প্রমাণের মহেন্দ্রক্ষণ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে এটাই জাতির প্রত্যাশা।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষনার প্রথম দিবসেই দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাবে প্রকাশ করেছেন তার সেই দেশপ্রেম ও সাহসী উক্তি, একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তাঁর এই ঘোষনা জাতির মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। জাতি তাঁর এ ঘোষনার বাস্তবায়ন দেখবে সেই আশায় বুক বেধে আছে।
কেন মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত মনোনয়ন এর প্রধান কারন- তিনি একজন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত স্নেহধন্য, একজন প্রথিত যশা সাবেক জেলা ও দায়রা জজ, যুক্ত ছিলেন অধ্যাপনা, সাংবাদিকতা ও আইন পেশার সাথে, ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সফল কমিশনার। ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনে। ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শাহাদাৎ বরন করলে প্রতিবাদ করে তিনি ৩ বছর জেল খাটেন। চাকরি জীবনে জুডিশিয়াল সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন।
বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি কর্মকান্ডে অংশগ্রহণে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ বটে। তবে তাঁর ক্ষমতা সীমিত। কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ে তার ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন হয়ে ওঠে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে একজন আইনবিদ, শিক্ষিত ও প্রশাসকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর রাজনৈতিক কমিটমেন্ট, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিশ্বাস আমাদের বাঙ্গালী জাতিকে আস্থাশীল করে তুলব।
একজন গনমাধ্যম কর্মী হিসেবে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সারা জীবনের কর্মকান্ড দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এ আস্থা রাখাটাই প্রত্যাশা করি।
মতিউর রহমান (সম্পাদক, দ্য ফিন্যান্স টুডে)
Shamiur Rahman
