রাজবাড়ীতে মাতব্বরি প্রথার শিকার এক কবি
সামন্তযুগের মাত্ববরি প্রথা বাতিল হলেও খোদ শহরের মধ্যে মাত্ববরি প্রথা চালু রেখে অত্যাচার নির্যাতনের এই ঘটনায় অনেকেই বিষ্ময় প্রকাশ করেছে
সামন্তযুগে মাত্ববরি প্রথা বাতিল হলে ও সাম্প্রতিক দিনগুলিতে মাত্ববরি প্রথার শিকার হয়ে নানান জায়গায় বিচারের আশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন অনেক নিরীহ ও অসহায় মানুষ।
রাজবাড়ী জেলার ধুনচী গ্রামের বাসিন্ধা নেহাল আহমেদ। তিনি একজন কবি এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। দেশের প্রথম সারির বেশ কয়েকটি পত্রিকা এবং টিভিতে কাজ করছেন।
রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে দেখা হলে তিনি জানান, 'পৈতিক সম্পত্তি নিয়ে আতংকে আছি। কখন দখল হয়ে যায় বাপ দাদার ভিটা গতকাল সকালে একটি বিচারাধীন জায়গা প্রতিপক্ষ জনৈক আহসান উল্লাহ মুকুল তার দলবল নিয়ে দখল করতে যায়। প্রাণনাশের আশংকায় থানায় ফোন দিলে পুলিশ এসে বাধা প্রদান করে। এইজন্য পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করতে এসেছেন অফিসে।'
তদন্ত কর্মকর্তা এস, আই, মুরাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'বিষয়টি সমাধান করতে দুইপক্ষকে থানায় আসতে বলেছি যাতে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা না হয়।
অভিযুক্ত মুকুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ও তিনি ফোন ধরেননি।
নেহাল আহমেদ জানান, 'শুধু জায়গাই নয় হামলা মামলা সহ সামাজিক ভাবে তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে। সম্প্রতি এই প্রতিথযশা কবি এবং সাংবাদিকের বাড়ী একটি মিলাদের আয়োজন করা হলে অনেক প্রতিবেশীকে হুমকি দিয়ে সেই দাওয়াত প্রত্যাক্ষান করাতে বাধ্য করান অভিযুক্ত মুকুল।
সামন্তযুগের মাত্ববরি প্রথা বাতিল হলেও খোদ শহরের মধ্যে মাত্ববরি প্রথা চালু রেখে অত্যাচার নির্যাতনের এই ঘটনায় অনেকেই বিষ্ময় প্রকাশ করেছে।
এ প্রসঙ্গে রাজবাড়ী জেলা বারের সদস্য এ্যডভোকেট লিয়াকত জানান, মাতব্বরি প্রথা নিষিদ্ধ করতে হবে। এই প্রথাকে পুজিঁ করে রাম রাজত্ব করার কোন সুযোগ নাই বাংলাদেশের আইনে। বিচারাধীন জমিতে দখল নেওয়া রাষ্ট্র সমর্থন করে না।
Shamiur Rahman
