আজ সমস্ত রাজবাড়ী হত বিহ্বল
পাশাপাশি তিনটি কবর খোঁড়া হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাইয়ান ও তার মা এবং ভাগ্নির জন্য। রাইয়ানের ছোট বোন আহত হয়ে শোকে বিহ্বল
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় খোঁজ মিলছে না জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আহনাফ রাইয়ানের। তার সঙ্গে থাকা ভাগ্নিও নিখোঁজ রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় রাইয়ানের বড় বোন ডাক্তার নুসরাত জাহান খান সাবা বেঁচে ফিরলেও মারা গেছেন রাইয়ানের মা রেহেনা আক্তার (৫৯)।
মা, বড় বোন, ভাগ্নিকে নিয়ে ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন আহনাফ রাইয়ান। তিনি রাজবাড়ীর ভবানীপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে।
নিখোঁজ আহনাফ রাইয়ান রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি জাবি ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। স্কুলজীবন থেকেই তিনি বিতর্ক চর্চা করতেন।
এদিকে, সজ্জনকান্দা এবং বরাট ইউনিয়নের একই পরিবারের ন্যুনতম ১৫ জনের মৃত্য সংবাদ এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন কার্য দিবসের মধ্যে রির্পোট জমা দেয়ার কথা বলেছে। মৃত পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা দেয়ার কথা রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাসের মধ্যে ন্যুনতম ৫০ জনের বেশী যাত্রী থাকলেও ২৬ টি লাশের খবর নিশ্চিত করা গেলেও বাকীদেরকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। বাকি লাশগুলো দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবীটি তুলে ধরার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান।
Shamiur Rahman
