অসচেতনার আগুন নেভেনা
বিশাল জনগোষ্ঠী এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও স্থাপনার এই দেশে অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার জরুরি। সেই সঙ্গে সরকারের তদারকি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতা ও জনগণের সচেতনতাও জরুরি
সহানুভূতি আর বাস্তবতা আলাদা জিনিস।
বছরের পর বছর ঝুঁকিপূর্ন জায়গায় বাস করে কিভাবে নিরাপত্তা আশা করেন। পুরো ঢাকা শহরকেই বসবাসের অযোগ্য মনে হয় আমার কাছে।
সারাদিন যানজটে বসে থাকা, অতিরিক্ত শব্দ দুষন, বাতাসে বিষ, সুপেয় পানির অভাব এতো নিত্য নৈমিত্তিক সমস্য। এই যে ভয়াবহ আগুন, অসীম ক্ষতি– এর দায় কার? এই কিপ্রথম?
দায় অনেকের। আমরা স্বীকার করতে চাইনা।অনেকবার বঙ্গবাজারে গেছি। সংকীর্ণ জায়গায় গায়ে গায়ে লাগানো ছোট ছোট দোকান। দোকানী আর মানুষে গিজ গিজ অবস্থা। শ্বাস নেওয়াই কষ্টকর। সচেতন যে কারোর জন্যই ভীতিকর অবস্থা।
আগুন প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থাই নেই। অন্য ধরণের কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেও বেরিয়ে যাওয়ার সহজ পথ নেই। এই পরিবেশে বছরের পর বছর ব্যবসা করছেন হাজার হাজার মানুষ। কোনো ধরণের সচেতনতা নেই। নিরাপত্তার উদ্যোগ নেই।
অসচেতনতার এই আগুন কখনো নেভে না। হয় তাজরীন গার্মেন্টস বা চূড়িহাট্টা অথবা নারায়নগঞ্জ বা বঙ্গবাজারে সেই আগুন শুধুই জ্বলে।
বিশাল জনগোষ্ঠী এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও স্থাপনার এই দেশে অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার জরুরি। সেই সঙ্গে সরকারের তদারকি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতা ও জনগণের সচেতনতাও জরুরি।
Shamiur Rahman
