‘নগদে জুয়ার লেনদেন’: চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

Published: 15 November 2021 06:11

মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছে ১৬টি মোবাইল ফোন, তিনটি নগদ এজেন্ট সিম, একটি ল্যাপটপ, একটি প্রাইভেটকার ও ৪ লাখ ১০ হাজার নগদ টাকা পাওয়া যায়

মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘নগদের এজেন্ট সিম’ ব্যবহার অনলাইনে জুয়ার কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে এমন একটি চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। 

মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছে ১৬টি মোবাইল ফোন, তিনটি নগদ এজেন্ট সিম, একটি ল্যাপটপ, একটি প্রাইভেটকার ও ৪ লাখ ১০ হাজার নগদ টাকা পাওয়া যায়।

এরা হলেন- স্বপন মাহমুদ (২৭), নাজমুল হক (২১), আসলাম উদ্দিন (৩৫), মুরশিদ আলম লিপু (২৫), শিশির মোল্লা (২১), মাহফুজুর রহমান নবাব (২৬), নবাবের স্ত্রী মনিরা আক্তার মিলি (২৪), সাদিক (২২) ও মাসুম রানা (২০)।

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক কামরুল আহসান রোববার সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডির নজরদারির ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিভিন্ন খেলাকে কেন্দ্র করে তারা রাশিয়াভিত্তিক ‘বেটিং ওয়েবসাইটে’ অ্যাকাউন্ট খুলে ‘জুয়ার কারবার’ করত। আর লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করত নগদের এজেন্ট সিম।

“চলমান টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আইপিএল, বিগ ব্যাশ, ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে জুয়া খেলার জন্য একজন জুয়ারি মোবাইল নম্বর বা ইমেইলের মাধ্যমে এই বেটিং সাইট বা অ্যাপে একাউন্ট খুলে সে একাউন্টের বিপরীতে একটি ই-ওয়ালেট তৈরি করে ব্যালেন্স যোগ করে। ব্যালেন্স যোগ করার জন্য অনেক মাধ্যম থাকলেও তার মধ্যে ভেতর নগদ অন্যতম।”

কামরুল বলেন, গ্রেপ্তার স্বপনের সিম থেকে প্রতিদিন গড়ে সাত থেকে আট লাখ টাকা, লিপুর সিম থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ টাকা এবং নবাবের সিম থেকে প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা লেনদেন হতো।

মেহেরপুরে নগদের কয়েকজন ‘এস আর’ ও সেখানকার ডিপোর ম্যানেজার তাদের এই কাজের সাথে সরাসরি জড়িত বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

বাইলে আর্থিক সেবাদাতা সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘নগদের এজেন্ট সিম’ ব্যবহার অনলাইনে জুয়ার কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে এমন একটি চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।  খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।

মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছে ১৬টি মোবাইল ফোন, তিনটি নগদ এজেন্ট সিম, একটি ল্যাপটপ, একটি প্রাইভেটকার ও ৪ লাখ ১০ হাজার নগদ টাকা পাওয়া যায়।

এরা হলেন- স্বপন মাহমুদ (২৭), নাজমুল হক (২১), আসলাম উদ্দিন (৩৫), মুরশিদ আলম লিপু (২৫), শিশির মোল্লা (২১), মাহফুজুর রহমান নবাব (২৬), নবাবের স্ত্রী মনিরা আক্তার মিলি (২৪), সাদিক (২২) ও মাসুম রানা (২০)।

 সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক কামরুল আহসান রোববার সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডির নজরদারির ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিভিন্ন খেলাকে কেন্দ্র করে তারা রাশিয়াভিত্তিক ‘বেটিং ওয়েবসাইটে’ অ্যাকাউন্ট খুলে এরা ‘জুয়ার কারবার’ করত। আর লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করত নগদের এজেন্ট সিম।

“চলমান টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আইপিএল, বিগ ব্যাশ, ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে জুয়া খেলার জন্য একজন জুয়ারি মোবাইল নম্বর বা ইমেইলের মাধ্যমে এই বেটিং সাইট বা অ্যাপে একাউন্ট খুলে সে একাউন্টের বিপরীতে একটি ই-ওয়ালেট তৈরি করে ব্যালেন্স যোগ করে। ব্যালেন্স যোগ করার জন্য অনেক মাধ্যম থাকলেও তার মধ্যে ভেতর নগদ অন্যতম।”

কামরুল বলেন, গ্রেপ্তার স্বপনের সিম থেকে প্রতিদিন গড়ে সাত থেকে আট লাখ টাকা, লিপুর সিম থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ টাকা এবং নবাবের সিম থেকে প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা লেনদেন হতো।

মেহেরপুরে নগদের কয়েকজন ‘এস আর’ ও সেখানকার ডিপোর ম্যানেজার তাদের এই কাজের সাথে সরাসরি জড়িত বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

Shamiur Rahman

Related