পর্যটন কর্পোরেশনের ডিএফও
নিজাম উদ্দিন হায়দারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তে ধীরগতি
দুর্নীতি দমন কমিশনের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলের পরিচালক ঈশিতা রাণী স্বাক্ষরিত এক পত্রে চেয়ারম্যান পর্যটন কর্পোরেশনকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগের ছায়ালিপি প্রেরণ করে
পর্যটন কর্পোরেশনের ডিএফও ব্যবস্থাপক (পর্যটন বার এন্ড রেঁস্তোরা) নিজাম উদ্দিন হায়দারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং তার অধীনে কর্মরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ডিউটি বন্ধকরণ ও হয়রানীসহ বিভিন্ন অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলের পরিচালক ঈশিতা রাণী স্বাক্ষরিত এক পত্রে চেয়ারম্যান পর্যটন কর্পোরেশনকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগের ছায়ালিপি প্রেরণ করে।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এ বিষয়ে অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়াকে সদস্য করে ১ (এক) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে।
উল্লেখ্য যে, তথ্য সূত্র বলছে নিজাম উদ্দিন হায়দারের ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ক্ষমতার দাপটে পর্যটন কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সর্বদা তটস্থ থাকতো। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পরেও তার ক্ষমতার দাপট কোন অংশেই কমে তো না-ই বরং তা আরও অধিকমাত্রায় বেড়ে গিয়েছে। তিনি বর্তমানে বিএনপির একজন অতি প্রভাবশালী কর্মকর্তা বনে গিয়েছেন।
ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি কোন কর্তৃপক্ষ। তিনি পর্যটন কর্পোরেশনে এতই ক্ষমতাধর ব্যক্তি যে তার ভয়ে তটস্থ থাকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগীর। একাধিক কর্মকর্তা বলেন, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন তিনি গিরগিটির মতো রং বদলিয়ে ফেলেন।
পর্যটন কর্পোরেশনের ডিউটি ফ্রি সপগুলো এক একটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে সংবাদের শিরোনাম হলেও তার সঠিক কোন ব্যবস্থা নেয়নি কোন চেয়ারম্যান। এটা পর্যটন কর্পোরেশনের জন্য কালো অধ্যায়।
নিজাম উদ্দিন হায়দারের বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি জানতে পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এর নিকট ফোন দিলে তিনি পরিচালক (প্রশাসন) এর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম তারেক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও তদন্ত রিপোর্ট জমা হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা সৃজন বিকাশ বড়ুয়ার নিকট ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
