একজন অবসরকালীন ছুটিতে
১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের
এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্য পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিগত সরকারের আমলে গুম এবং জুলাই আন্দোলনে রামপুরায় গুলির ঘটনায় হাজির করা ১৫ জন কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আর শেখ হাসিনাসহ অন্য পলাতকদের বিষয়ে সাতদিনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এর আগে সকাল ৭টার পরপরই ট্রাইব্যুনালে এসব কর্মকর্তাদের হাজির করা হয়। ১৫ জনের মধ্যে একজন অবসরকালীন ছুটিতে আছেন।
আদেশের পর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, দুটি ছিল গুমের মামলা এবং অপরটি গণঅভ্যুত্থান চলাকানীন রামপুরা এলাকায় গুলি করে মানুষ হত্যার মামলা। এসব মামলায় গত ৮ অক্টোবর ফরমাল চার্জ দাখিল হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজকে এ তিনটি মামলার ১৫ আসামিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আদালতে উপস্থাপন করে। গুমের একটি মামলা ছিল টিএফআই সেলে সেখানে কিছু বন্দিকে আটক করে রাখারে। মোট ১৪ জনকে গুম করে রাখার অভিযোগ ছিল। সেই মামলায় ১০জনকে হাজির করা হয়েছিল। তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানির তারিখ ২০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্য পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় মামলা হচ্ছে জেআইসি। সেখানে ২৪জনকে বন্দির অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তিনজনকে হাজির করা হয়েছে। বাকিরা পলাতক। আদালত তাদেরও গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠাতে বলেছেন। ওই মামলারও পরবর্তী তারিখ ২০ নভেম্বর। এচাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন।
তৃতীয় মামলাটি ছিল রামপুরায় ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই গুলি করে কিছু বিজিবি সদস্য আন্দোলনকারীদের হত্যা করেছিলেন। মোট ২৮ জনকে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই মামলায়ও আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ নভেম্বর। পলাতক ২ আসামির বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আদালতের প্রক্রিয়াতে সাহায্য করেছেন। যারা দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপ্রপচার করেন তাদের বলবো অপপ্রচার করবেন না।
