ভাবী ভাবী স্লোগানের রহস্য
খালেদ সাইফুল্লার সাথে বৈবাহিক সূত্রে তাসনিম জারা রাজবাড়ীর পুত্রবধু। অক্সফোর্ডে পড়ার সময় তাদের সাথে পরিচয় হয় এবং পারিবারিক ভাবে তাদের বিবাহ হয়
রাজবাড়ী জেলায় জাতীয় নাগরিক পাটির পদযাত্রার একটি স্লোগান নিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জারা ভাবী জারা ভাবী স্লোগানকে কেন্দ্র করে অনেকেই জানতে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তাসনিম জারা কেমন করে রাজবাড়ীর ভাবী হইলো? কার সাথে বিয়ে হয়েছে? রাজবাড়ীর কোন এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ী।
রাজবাড়ী আসার আগে ফেসবুকে তাসনিম জারা লেখেন রাজবাড়ী আমার শ্বশুরবাড়ি, মানে আমারও বাড়ি। ঢাকার পরে এখানেই আমার সবচেয়ে বেশি স্মৃতি জমে আছে। পদ্মায় নৌকা থেকে ইলিশ কিনেছি, বরাট বাজার থেকে গোদার বাজার ঘুরেছি মোটরসাইকেলে, দৌলতদিয়া থেকে কিনেছি নদীর টাটকা মাছ। নির্মল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের চমচম এখনো ভুলতে পারি না। এবার ফিরছি আরেক রকম ভালোবাসা নিয়ে। জুলাই অভ্যুত্থানের নেতাদের সাথে নিয়ে। ১৭ জুলাই, বিকেল ৪টায় আমাদের পদযাত্রা পৌঁছাবে রাজবাড়ি রেলগেটে।
সরেজমিনে খোঁজ করে দেখা যায়, খালেদ সাইফুল্লার সাথে বৈবাহিক সূত্রে তাসনিম জারা রাজবাড়ীর পুত্রবধু। অক্সফোর্ডে পড়ার সময় তাদের সাথে পরিচয় হয় এবং পারিবারিক ভাবে তাদের বিবাহ হয়।
পদযাত্রার মঞ্চ খেকে খালেদ সাইফুল্লাহকে রাজবাড়ীর ভবিষ্যৎ রাজনীতির কান্ডারী ঘোষনার পর থেকেই সবার মনে বিপুল আগ্রহের সৃষ্টি হয়। আমরা খালেদ সাইফুল্লাহর বাবার কাছ থেকে তার বেড়া ওঠা, শৈশব, শিক্ষা, পছন্দ অপছন্দের বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করেছি। তিনি জানান আমার ছেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া গ্রামে এক রক্ষনশীল মুসলিম পরিবারে জন্ম। চার ভাইয়ের মধ্যে খালেদ সাইফুল্লাহ তৃতীয়। বাড়ির পাশেই ভান্ডারিয়া সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসায়া তার শিক্ষা জীবন শুরু। সেখানেই আলিম এবং দাখিল গোল্ডেন পেয়ে শেষ করেন। এরপর ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন আইন বিভাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল থেকে পড়ালেখা শেষে স্কলারশিপ নিয়ে চলে যান লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সেখানে আইন বিভাগে পড়ালেখা করেন। সেখান থেকেই ডা. তাসনিম জারার সাথে পরিচয়। তারপর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তাদের।
সাইফুল্লাহর বাবা মো. আলাউদ্দিন প্রামাণিক বলেন, তার পুত্রবধু একজন ভালো মনের মানুষ। সহজ সরল স্বাভাবিক জীবনযাপন করে। পুত্রবধু তাসনিম জারার আচরণে তারা মুগ্ধ। ছেলে সাইফুল্লাহর মত তাসনিম জারাও নদীর পাঙ্গাশ মাছ পছন্দ করেন।
খালেদ সাইফুল্লার পিতা বলেন, সাইফুল্লাহ ও তাসনিম জারা বিদেশে চাকরি ছেড়ে দেশ গড়ার কাজ করছেন। এতে তিনি গর্বিত।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিলাশী জীবন ছেড়ে মানুষের কল্যানে নিজেকে নিবেদিত করার যে আশা করেছেন তাতে সে যেন কামিয়াব হয়।
Shamiur Rahman
