সিলেট-৩ আসনে জনমানুষের স্পন্দনে ড. ফয়েজ
সিলেট অঞ্চলের প্রাচীন ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিক পরিবেশ ও আধুনিক চিন্তাধারার এক সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে ড. ফয়েজ উদ্দিন এমবিই-এর ব্যক্তিত্বে। সততা, দেশপ্রেম ও জনসেবার মানসিকতা তাঁকে করে তুলেছে এক অনন্য নেতা
সিলেটের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানবসেবার উত্তরাধিকারে উজ্জ্বল এক নাম—ড. মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন এমবিই। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনে তিনি আজ জনমানুষের আশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সততা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক নেতৃত্ব ও মানবসেবার মিশেলে গড়ে ওঠা তাঁর জীবনকাহিনি সিলেটবাসীর হৃদয়ে গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছে।
১৯৬২ সালের মে মাসে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ড. ফয়েজ উদ্দিন। তাঁর পিতা মরহুম হাজী আব্দুল আজিজ ছিলেন একাধারে সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ভূমিদাতা। তাঁর পিতামহও ছিলেন বিদ্যাশিক্ষায় সমৃদ্ধ, দানশীল ও সমাজকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ মানুষ। এই পরিবার বহু প্রজন্ম ধরে শিক্ষা, মানবতা ও জনসেবার আদর্শে নিজেদের উৎসর্গ করে এসেছে। আজও সিলেটবাসী তাঁদের পরিবারের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারণ করে।
এই পরিবারের জ্যেষ্ঠ সন্তান, প্রখ্যাত চিকিৎসক ড. আলাউদ্দিন ছিলেন “গরিবের ডাক্তার” নামে সুপরিচিত। তিনি শুধু সিলেট নয়, গোটা এশিয়া অঞ্চলে মানবতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ধনী-গরিবের ভেদাভেদ না করে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করতেন তিনি। তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল মানুষের সেবা। মানবতার টানে নিয়মিত ফিরে যেতেন জন্মভূমি সিলেটে, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।
পরিবারের ঐতিহ্য ও বড় ভাইদের সেবামূলক কর্মকাণ্ড থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ড. মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিনও নিজেকে নিয়োজিত করেছেন সমাজসেবা, শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক কাজে। শিক্ষায় ও সততায় বলীয়ান এই মানুষটি পেশাগত জীবনে যেমন সফল, তেমনি সামাজিক দায়িত্ববোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রবাসী ও স্থানীয় সিলেটবাসীর কল্যাণে তাঁর অবদান ইতোমধ্যেই তাঁকে করে তুলেছে সবার প্রিয় মুখ।
বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, আর সেই সঙ্গে সিলেট-৩ আসনে জনমানুষের একটাই দাবি—“ড. ফয়েজ উদ্দিন এমবিই—ধানের শীষ প্রতীকে আমাদের প্রার্থী।” এলাকার ব্যবসায়ী, শিক্ষক, ছাত্র, ধর্মীয় নেতা, মসজিদ-মাদ্রাসার প্রতিনিধি থেকে শুরু করে সাধারণ দিনমজুর পর্যন্ত সবাই এক কণ্ঠে তাঁর প্রার্থিতা কামনা করছেন। তাঁদের বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যদি তাঁকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেয়, তবে তাঁর সততা, জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততার জোরে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।
ইতোমধ্যেই এলাকায় তাঁর সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা ও ক্লিনিকগুলোতে চলছে উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ, পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো। তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণে এই প্রচারণা রূপ নিয়েছে উৎসবে। তাঁর আপন বড় ভাই বিশিষ্ট সমাজসেবক নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে এই প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
এলাকার জনগণ মনে করেন, ড. ফয়েজ উদ্দিন এমবিই হচ্ছেন এমন একজন প্রার্থী, যিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়, বরং সেবার দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁর নেতৃত্বে সিলেট-৩ আসনে হবে প্রকৃত উন্নয়ন—শিক্ষার প্রসার, যুবসমাজের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।
ড. ফয়েজ উদ্দিনের প্রতি মানুষের এই ভালোবাসা এসেছে তাঁর সহজ-সরল জীবনধারা, বিনয়ী ব্যবহার ও সমাজের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থেকে। তিনি সর্বদা বিশ্বাস করেন, “মানুষের সেবা করাই জীবনের সর্বোচ্চ অর্জন।”
মুঠোফোনে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ড. ফয়েজ উদ্দিন বলেন, "আমার পরিবার সিলেটবাসীর আস্থার প্রতীক। আমি এই মাটির মানুষের ভালোবাসায় বড় হয়েছি, তাঁদের সেবা করাই আমার জীবনের লক্ষ্য। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমি সিলেট-৩ আসনের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। রাজনীতি আমার কাছে দায়িত্ব, ভালোবাসা ও মানবসেবার প্রতিশ্রুতি।”
সিলেট অঞ্চলের প্রাচীন ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিক পরিবেশ ও আধুনিক চিন্তাধারার এক সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে ড. ফয়েজ উদ্দিন এমবিই-এর ব্যক্তিত্বে। সততা, দেশপ্রেম ও জনসেবার মানসিকতা তাঁকে করে তুলেছে এক অনন্য নেতা।
তাই তো আজ দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের জনমানুষের কণ্ঠে একটাই প্রত্যয়— “ড. ফয়েজ উদ্দিন এমবিই—ধানের শীষ প্রতীকে আমাদের প্রার্থী, আমাদের গর্ব।”
Shamiur Rahman
