তরুণদের সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতা গড়ে তুলছে ইয়ুথ একশন ফর ডেভেলপমেন্ট
২০২৪ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, ঢাকার শহুরে তরুণদের মধ্যে প্রতি ৩ জনে ১ জন কোনো না কোনোভাবে অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছে
ঢাকার কিশোর-কিশোরী ও তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহার করছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, মেসেঞ্জার, গেম, ক্লাস ও রিসার্চে। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই সাইবার বুলিং, ফিশিং, অনলাইন হয়রানি, ভুল তথ্য কিংবা ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার সম্পর্কে সচেতন নয়।
২০২৪ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, ঢাকার শহুরে তরুণদের মধ্যে প্রতি ৩ জনে ১ জন কোনো না কোনোভাবে অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ তরুনই জানে না এই ধরনের পরিস্থিতিতে কাকে জানাতে হয় বা কীভাবে সাহায্য পেতে হয়।
এই বাস্তবতা থেকে ইউথ একশন ফর ডেভেলপমেন্ট (ইএড) ও গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ যৌথভাবে চালু করেছে “ইন্টারনেট হোক নিরাপদ: যুব সমাজের অঙ্গীকার” শীর্ষক একটি সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন।
ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য তরুণদের ডিজিটাল ঝুঁকিগুলো চিহ্নিত করে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের কৌশল শেখানো। এই উদ্যোগের আওতায় ইউথ একশন ফর ডেভেলপমেন্ট (ইএড) নিয়মিত প্রচার করছে জরুরি হেল্পলাইন নম্বর (যেমন ৯৯৯, ১০৯ ও সাইবার সাপোর্ট ফর ওমেন & চিলড্রেন), অনলাইন অভিযোগ প্রক্রিয়া, ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে নির্দেশনা।
এছাড়াও আয়োজন করা হচ্ছে “সাইবার টক” নামে মাসিক যুব সংলাপ, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা মিডিয়া লিটারেসি, ভুল তথ্য শনাক্তকরণ, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহারের গুরুত্ব ও সম্মানজনক অনলাইন আচরণ সম্পর্কে মতবিনিময় করছে।
পাশাপাশি #UnmuteMe Story & Art Competition এবং ঢাকার বিভিন্ন স্কুলে সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণদের অভিজ্ঞতা, ভাবনা ও সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
ইউথ একশন ফর ডেভেলপমেন্ট (ইএড) বিশ্বাস করে, তরুণরাই পারে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে এবং একটি দায়িত্বশীল ও নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ গড়ে তুলতে—যেখানে প্রত্যেকে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে এবং অন্যের পাশে দাঁড়াতে শিখবে।
আমাদের পাশে রয়েছে 'সাইবার সাপোর্ট ফর ওমেন & চিলড্রেন'; যারা শুধু সহযোগিতা করছে না, বরং কার্যক্রমে অংশ নিয়েও তরুণদের সরাসরি সাপোর্ট করছে।
Shamiur Rahman
