টাঙ্গাইল-৩ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফর রহমান আযাদের বিরুদ্ধে এসডিএসের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রায় দুই দশক আগে বিদ্যুৎ, গ্যাস সংযোগ ও জমি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করা হয়। টাকা নেওয়ার পর মানুষকে হয়রানি করা হয়। অনেককে অপমান, অপদস্ত এবং হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে
সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আযাদের বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি সংস্থা এসডিএস–এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই স্থানীয়দের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি ক্রমেই ভোটের বাজারে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রায় দুই দশক আগে বিদ্যুৎ, গ্যাস সংযোগ ও জমি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করা হয়। টাকা নেওয়ার পর মানুষকে হয়রানি করা হয়। অনেককে অপমান, অপদস্ত এবং হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় এসডিএস নামের ওই সংস্থার মাধ্যমে নানা উন্নয়ন সুবিধার কথা বলে মানুষকে বিনিয়োগ বা ফি দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু প্রতিশ্রুত সেবাগুলোর বড় অংশই বাস্তবায়ন হয়নি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ মানুষ তাদের দেওয়া টাকা ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে টাকার দাবি নিয়ে প্রায়ই ভুক্তভোগীরা লুৎফর রহমান খান আযাদের বাসায় ভিড় করেন। তবে তাদের দাবি, বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কাউকে অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। এতে করে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, তাদের অনেকেই দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ ছিলেন। জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে দেওয়া সেই টাকা ফেরত না পেয়ে তারা আজ চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। কেউ কেউ এই ঘটনাকে পরিকল্পিত প্রতারণা বলেও দাবি করছেন।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে লুৎফর রহমান খান আযাদের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তার ঘনিষ্ঠ মহলের কেউ কেউ অবশ্য এই অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করছেন।
এই বিষয়ে জানতে চেয়ে লুৎফর রহমান খান আযাদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
Shamiur Rahman
