২০১০ সালের পর শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় দরপতন

Published: 15 January 2020 02:01

ডিএসইতে ৩৫৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ৩০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬ টির

২০১০ সালে পর সবচেয়ে বড় ধসের কবলে পড়েছে দেশের শেয়ারবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার মূল্য সূচকের ব্যাপক পতনে লেনদেন চলছে। আজ ডিএসইতে লেনদেনের আড়াই ঘণ্টায় ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১০০ পয়েন্ট হারিয়েছে। এই সময়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রায় ৮৬ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সময়ে ডিএসইতে ৩৫৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ৩০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬ টির।

ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ১০০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ২৩ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯০৩ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৫৬ পয়েন্টে। এই অবস্থা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ২০১০ সালে।

গত কয়েক দিন ধরেই ঋণগ্রস্ত বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীর পত্রকোষ বা পোর্টফোলিও জোরপূর্বক বিক্রি বা ফোর্সড সেলের আওতায় আনা হচ্ছে। কেবল গত এক বছরের ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা।

বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও শেয়ারবাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। ২০১৮ সালে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা, যা গত বছর কমে হয় ৭ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। এই দুই বছরেই বিদেশিরা শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রি করেছেন অনেক বেশি।

Shamiur Rahman

Related