খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধান উপদেষ্টা ও তিনবাহিনীর শ্রদ্ধা নিবেদন
রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের পর লাশবাহী খাঁটিয়া ধরেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী, আল্লামা মামুনুল হক প্রমুখ। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তারা বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ নিজ কাঁধে বহন করে নিয়ে যান কবরের কাছে।
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। দাফন শেষে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানোর পর সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌ-বাহিনীর পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর।
এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ বিএনপির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতে দোয়া করা হয়।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয় দেশের রাজনীতির ধ্রুবতারা খালেদা জিয়াকে।
বিকেল ৩টা জানাজা শেষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে কঠোর নিরাপত্তায় জিয়া উদ্যানে লাশবাহী গাড়ি পৌঁছায়। রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের পর লাশবাহী খাঁটিয়া ধরেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী, আল্লামা মামুনুল হক প্রমুখ। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তারা বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ নিজ কাঁধে বহন করে নিয়ে যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির কাছে।
দাফনের সময় কবরের পাশে উপস্থিত ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ সন্তান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারসহ পরিবারের নিকটাত্মীয়রা। এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতা এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে জিয়া উদ্যানের চারপাশে কয়েক লাখ নেতাকর্মী ভিড় করলেও দাফন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।
Shamiur Rahman
