স্বদেশের মাটি আজ সিক্ত হল এক বীরের পাদস্পর্শে
ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন
স্বদেশের মাটি আজ সিক্ত হল এক বীরের পাদস্পর্শে
স্বদেশের মাটি আজ সিক্ত হল এক বীরের পাদস্পর্শে
বাংলার আকাশ-বাতাস আজ এক অপূর্ব গাম্ভীর্যে ভরা। দের যুগের দীর্ঘ প্রবাস শেষে, মাতৃভূমির মাটি আজ স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সূর্যটা যেন আজ নতুন আলো নিয়ে উদিত হয়েছে, সেই আলো যা বহু বছর ধরে লক্ষ কোটি বাঙালির হৃদয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন জ্বালিয়ে রেখেছিল।
বিমানবন্দর থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি অলি-গলি আজ এক অনাবিল উল্লাসে ভাসছে। মানুষের চোখে চোখে অশ্রু, ঠোঁটে ঠোঁটে স্বপ্নের হাসি—এ যেন পিতার অপেক্ষায় থাকা সন্তানের বহু বছরের প্রতীক্ষার অবসান। মায়ের কোল খালি রেখে যে সন্তান বহুদূরের পথে পাড়ি দিয়েছিলেন, আজ তিনি ফিরে এসেছেন সেই কোল পূর্ণ করতে।
এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন ব্যক্তির ফিরে আসা নয়; এটি হলো ইতিহাসের একটি মহান অধ্যায়ের সূচনা। প্রবাসের প্রতিটি মুহূর্ত যেন আজ বাংলার মাটিতে রূপ নিচ্ছে একটি নতুন ভোরের অঙ্গীকারে। তাঁর প্রতিটি পা ফেলায় যেন মিশে আছে অগণিত মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিধ্বনি।
লাখো মানুষের অধীর অপেক্ষার অবসান হয়েছে আজ। সেই মানুষগুলো যারা বছরের পর বছর ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন, প্রশ্ন করেছিলেন—“কখন ফিরবেন?” আজ তাদের সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে। বাংলার নদী-নালা, খাল-বিল, গ্রাম-শহর আজ এক কণ্ঠে বলে উঠেছে—“স্বাগত।”
এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত শুধু রাজনীতির পাতায় লেখা হবে না, লেখা হবে বাঙালির হৃদয়ের ইতিহাসে। একটি জাতির অদম্য আত্মবিশ্বাস এবং গণতন্ত্রের প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসার অনন্য দলিল হিসেবে বিরাজ করবে যুগ যুগ ধরে।
স্বদেশের মাটি আজ ধন্য হয়েছে। বাংলার আকাশ আজ আশার আলোয় উদ্ভাসিত। এই প্রত্যাবর্তন যেন নতুন বাংলা নির্মাণের এক মহাযজ্ঞের সূচনা হয়। আগামীর পথ যেন হোক সকল বাধা-বিঘ্ন দূর করে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনের এই হোক আমাদের প্রার্থনা।
স্বদেশে ফিরে আসার এই মহান ক্ষণে, তারেক রহমানকে জানাই বাঙালির অন্তরের গভীর থেকে উঠে আসা অকৃত্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। স্বাগতম, স্বদেশের মাটিতে।
Shamiur Rahman
