দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ৩৫
ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে যে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন
ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে যে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যদিও বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের একটি বিদ্যালয়ে পরিচালিত হামলায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর যে খবর বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে এসেছে, তা এই সংঘাতের নৃশংসতাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে; রাষ্ট্র পরিচালিত শহীদ ফাউন্ডেশনের প্রধান ইব্রাহিম বায়ানি নিশ্চিত করেছেন যে, সোমবারও শত্রুপক্ষের বিরামহীন বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় নিহতের এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে আরও বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই সর্বাত্মক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এক অনিয়ন্ত্রিত অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে, যার পাল্টা জবাবে তেহরানও ইসরায়েলের তেল আবিবসহ সমগ্র অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের প্রথম দিনেই তেহরানের একটি সুরক্ষিত কমপাউন্ডে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে, যাকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘ মাসের সূক্ষ্ম গোয়েন্দা পরিকল্পনার এক সফল পরিণতি হিসেবে দাবি করেছেন।
গত ৭২ ঘণ্টায় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি আক্রমণের তীব্রতা ও পরিধি বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কেবল সামরিক অবকাঠামোই নয়, বরং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে এবং এই অস্থিতিশীলতা বিশ্বব্যাপী এক চরম অনিশ্চয়তা ও ভীতি তৈরি করেছে।
Shamiur Rahman

Please share your comment: