ইরানকে কিছুতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেব না: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ সালের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে ইরান ইস্যুতে তাঁর প্রশাসনের কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ঘোষণা করেছেন যে, তিনি যদিও তেহরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ সালের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে ইরান ইস্যুতে তাঁর প্রশাসনের কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ঘোষণা করেছেন যে, তিনি যদিও তেহরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষপাতী, তবে কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হতে দেবেন না।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া এই ভাষণে ট্রাম্প অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, ইরান বর্তমানে একটি নতুন চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী হলেও এখন পর্যন্ত তারা বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রস্তাব পেশ করেনি;
তাই যতক্ষণ পর্যন্ত না কোনো স্বচ্ছ সমাধান আসছে, ততক্ষণ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে।
বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরান বর্তমানে এমন সব বিধ্বংসী দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে যা কেবল ইউরোপ বা বিদেশের মার্কিন ঘাঁটিগুলোই নয়, বরং সরাসরি আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই ভাষণের প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায় যে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইতিপূর্বে শীর্ষ আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে একটি গোপন বৈঠকে ইরান বিরোধী সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, যা ওয়াশিংটনের কঠোর মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জেনেভায় আমেরিকার সঙ্গে চলমান আলোচনাকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করে জানিয়েছেন যে, তেহরান একটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে ন্যায্য ও সম্মানজনক চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে দিয়েছে।
Shamiur Rahman
