৭৫ পরবর্তী বিশেষ অবদান তুলে ধরলেন চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী
শিবচরে ঢাকা দক্ষিন শ্রমিকলীগ সভাপতি শামসুল আলম বকুলের কুলখানি অনুষ্ঠিত
বৈরি আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করেই স্থানীয় কয়েক হাজার সাধারন মানুষ দলমত নির্বিশেষে এই কুলখানি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও আওয়ামী লীগ সংসদীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন এমপি এই কুলখানি অনুষ্ঠানে
এফটি বাংলা
শিবচরে ঢাকা দক্ষিন শ্রমিকলীগ সভাপতি সামসুল আলম বকুল হাওলাদারের কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার শিবচর উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নে খাড়াকান্দি গ্রামে নিজ বাড়িতে ঢাকা মহানগর দক্ষিন শ্রমিকলীগ সভাপতি আলহাজ সামসুল আলম বকুল হাওলাদারের কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈরি আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করেই শ্রমিক লিগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ মাদারীপুর জেলা ও শিবচর উপজেলার প্রায় পঁচিশ হাজার (২৫,০০০) সাধারন মানুষ দলমত নির্বিশেষে এই কুলখানি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও আওয়ামী লীগ সংসদীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন এমপি এই কুলখানি অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মুনির চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে, মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ, শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন খান, পৌসভার মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল নোমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান আতাহার, ফাহিমা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আঃ লতিফ মোল্লা, সাধারন সম্পাদক ডা: মো: সেলিম, পৌরসভা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন তোতা খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় চীফ হুইপ ৭৫ পরবর্তী সময়ে এই নেতার বিশেষ অবদান তুলে ধরে বলেন "বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর যে কয়জন নেতা রাজপথে ছিলেন তার মধ্যে সামসুল আলম বকুল হাওলাদার একজন। শিবচরের মাদবরচর এলাকা এক সময় আমাদের রাজনীতির জন্য কঠিন এলাকা ছিল। এই বেল্টই আমাদের জন্য খুব কষ্টসাধ্য ছিল। সেই সময় তিনি যে সাহসিকতার সাথে আওয়ামীলীগের পক্ষে কাজ করেছেন সেটা শিবচরের মানুষ সম সময়ই মনে রাখবে ও স্বরন করবে।"
কুলখানি অনুষ্ঠানে চীফ হুইপ আরো বলেন, সামসুল আলম বকুল হাওলাদার এমন একজন নেতা ছিলেন যারা সারাদিনই পলিটিক্স করেন। আজকে অল্প বয়সে তার মৃত্যু হওয়ার কারন হলো তিনি রাজনীতির জন্য, আওয়ামীলীগের জন্য শরীরকে অনেক কষ্ট দিয়েছেন। শরীর কিন্তু একটা মেশিন। কিন্তু তারা শরীরের কথা না ভেবে সারাদিন-রাত পরিশ্রম করেছেন। মানুষ ছাড়া তারা থাকতে পারতেন না। কখনো কোন কাজ ফেলে তারা বসে থাকতে পারতেন না। আসলে এমন অনেক কান্ডারী আছে আওয়ামীলীগের, যার জন্য বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পরেও আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আজকে এটা সম্ভব হয়েছে এ সকল ত্যাগী নেতার জন্য। আজকে শিবচরসহ সারা বাংলাদেশে এই ধরনের নেতা যার অবদান কোনদিনই আওয়ামীলীগ ভুলবে না। আমি তার আত্মার শান্তি কামনা করি। শিবচরে যতদিন আওয়ামীলীগ থাকবে ততদিন বকুল হাওলাদার আমাদের মাঝে থাকবে। অনেক স্মুতি আছে তার সাথে আমাদের। অনেক আন্দোলন, অনেক সংগ্রাম, অনেক নির্বাচনে আমরা একসাথে রাজনীতির কাজ করেছি। আমাদের সবাইকেই একদিন চলে যেতে হবে। এটা মেনে নিয়েই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সোনার বাংলা গড়তে হবে।
এদিন চীফ হুইপ শেখ হাসিনা সড়ক সংলগ্ন উপজেলার বড়দোয়ালী মৌজায় নার্সিং ইনস্টিটিউট, বাহাদুরপুর মৌজায় ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী (আইএসটি) , পৌরসভা কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষন কেন্দ্র, ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মানের জন্য জমি পরিদর্শন করেন। এছাড়া চীফ হুইপ ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজ পরিদর্শন করেন।
Shamiur Rahman
