অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ (টুরিস্ট পুলিশ)
টুরিস্টদের নিরাপত্তা প্রদানে পুলিশ কোন অনিয়ম বরদাস্ত করবে না
কক্সবাজারে চট্টগ্রাম প্রতিদিনের বেস্ট রিপোর্টার অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও আনন্দ আয়োজন অনুষ্ঠিত
একজন সংবাদকর্মী যখন তার কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা পদক পায় তখন তার কর্মের উদ্দীপনা, সাহস, দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে যায়। আর তা যদি হয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তা হলে তার কর্মের ভিত্তি এবং অনুপ্রেরণা নতুন নতুন অন্যায়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে অনুপ্রেরণা যোগায়।
সমস্ত অন্যায় ও অসত্যতার বিরুদ্ধে শাষক গোষ্ঠীর রক্তচুক্ষুকে উপেক্ষা করে সত্য উদঘাটনে আপোষহীন থেকে লড়াই করাই হচ্ছে একজন সাংবাদিকের মূল কাজ। আর সেই কাজটিই করে যাচ্ছেন সংবাদপত্রের পথিকৃৎ, সাংবাদিকদের কারিগর দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক ও প্রকাশক আয়ান শর্মা।
আয়ান শর্মার প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র “দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন-এ এক ঝাঁক সাংবাদিককে আপোষহীন ও অনুসন্ধানী সংবাদের পুরষ্কারস্বরূপ বর্ষসেরা রিপোর্টার ও সংবাদকর্মীর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
সত্য প্রকাশে জীবন বাজি রেখে সংবাদের পেছনে ছুটে চলা এরকম এক ঝাঁক সাংবাদিক আজ মেতে উঠেছিলেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাড়ে।
অনুষ্ঠানটি কক্সবাজারের তারকা মানের হোটেল লংবিচে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রতিদিনের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিক ছাড়াও দেশবরেণ্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, সম্পাদক, চট্টগ্রাম প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক, প্রকাশক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার গুণীজন ও পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম প্রতিদিন পরিবার তাদের রিপোর্টারদের সম্মানিত করতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যে আয়োজন করেছে তা তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সংবাদকর্মীদের মনোবল বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ।
এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন 'দ্য ফিন্যান্স টুডে'র সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মতিউর রহমান।
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক, দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ আকবরী, ডিজিটাল কনসালট্যান্ট আনিসুর রহমান সাব্বির, নির্বাহী সম্পাদক বিশ্বজিৎ বণিক, আশিরা গ্রুপের কর্নধার আলী আক্কাছ, সাধারন সম্পাদক নুরুল কবির পাশা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আরো বলেন, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে আমার টুরিস্টরা আসে হাসতে হাসতে আর ফিরে যাওয়ার সময় যায় খারাপ অভিজ্ঞতা নিয়ে। আমি টুরিস্ট পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বলছি। কোন প্রকার অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা বরদাস্ত করা হবে না।
বীচের নিরাপত্তা ও টুরিস্টদের সাথে প্রতারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর সাথে যে বা যারাই যুক্ত থাকুক না কেন, আমি সমস্ত সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেব। টুরিস্টদের নির্বিঘ্নে, চলাচল, খাদ্য গ্রহণ, অবকাশ যাপনে কোন প্রকার হয়রানি হতে দেওয়া যাবে না।
ট্যুর ব্যবসায়ী, হোটেল রিসোর্ট ব্যবসায়ী ও সেন্টমার্টিনে জাহাজের টিকেট কালোবাজারি ও পিক-অফ পিকের অযুহাতে মূল্য না বাড়ানোর জন্য তিনি উদাত্ত আহবান জানান। এক্ষেত্রে গনমাধ্যমের ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশে তিনি সহযোগিতা কামনা করেন।
অতিরিক্ত ডিআইজি আরো বলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিন কাউকে ভয় পায় না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা তাই চট্টগ্রাম প্রতিদিন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। চট্টগ্রাম প্রতিদিনের রয়েছে এক ঝাঁক কলম সৈনিক। যারা নির্ভীক ও অকুতোভয় কলমযোদ্ধা। চট্টগ্রাম প্রতিদিন সন্ত্রাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে কথা বলে।
অনুষ্ঠানটির তাৎপর্য তুলে ধরে আপেল মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিনের অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও আনন্দ আয়োজন কর্মীদের অনুপ্রেরণা ও দায়বদ্ধতা আরো বেড়ে গেল। তিনি নিয়মিত এই পত্রিকার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পড়েন এবং দেখেন। চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে তিনি ধন্যবাদ জানান এবং সমাজ পরিবর্তনে ভুমিকা রাখার আহবান জানান।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিন পরিবার তাদের রিপোর্টারদের সম্মানিত করতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যে আয়োজন করেছে তা তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সংবাদকর্মীদের মনোবল বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে।
এই আনন্দ আয়োজনে পুরুষ ও মহিলাদের অন্ধ সেজে হাঁড়ি ভাঙা ও চেয়ার সিটিং অনুষ্ঠানটি ছিলো অত্যন্ত উপভোগ্য। সৈকতের বীচে ছিলো সংবাদকর্মীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। যা পুরো চট্টগ্রাম প্রতিদিন পরিবারের সদস্যদের অনুপ্রেরণায় মাইলফলক হয়ে থাকবেন।
Shamiur Rahman
