ইএনটি ম্যাজিশিয়ান
ডাক্তার মানেই অসুস্থ অসহায় মানুষের আস্থার প্রতীক। অনেক মানবিক হৃদয়বান ডাক্তার রয়েছেন আমাদের দেশে। যখন কোনো গরিব অসহায় রোগী এসে বলেন- অমুক ডাক্তার সাহেব খুব যত্ন করে দেখেছেন, সমস্যা হলে ফোন করে জানাতে বলেছেন, প্রয়োজনে ডাক্তারে
ডাক্তার মানেই অসুস্থ অসহায় মানুষের আস্থার প্রতীক। অনেক মানবিক হৃদয়বান ডাক্তার রয়েছেন আমাদের দেশে। যখন কোনো গরিব অসহায় রোগী এসে বলেন- অমুক ডাক্তার সাহেব খুব যত্ন করে দেখেছেন, সমস্যা হলে ফোন করে জানাতে বলেছেন, প্রয়োজনে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ দীর্ঘ দূরত্ব হয় রোগীকে খুজে বের করে তার নিজ এলাকায় গিয়ে চিকিৎসা করে থাকে। তখন আপনা থেকেই তাঁর বা তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জাগ্রত হয় হৃদয়ের গভীরে।
এমনই একজন মানবিক ডাক্তার বসুদেব কুমার সাহা (ইএনটি স্পেশালিষ্ট)। বলা চলে একজন ইএনটি ম্যাজিশিয়ান। স্থাপন করেছেন অনন্য দৃষ্টান্ত, যেন সাফল্যের হার ৯৭% বলতেই হবে। তিনি মনে করেন অর্থ উপার্জন করাই সফলতা নয়, বরং একজন অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করে তুলতে পারলেই আসল স্বার্থকতা।
নাক, কান, গলার চিকিৎসা মূলত ইএনটি ডিপার্টমেন্টে, এই বিভাগে প্রতিনিয়ত অনেক চাঞ্চল্যকর ঘটনা নিয়ে রোগীরা ডাক্তারের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে বেড়ায় শুধুমাত্র রোগ নিরাময়ের জন্য, যখন ছোট একটি বিষয়ের জন্য একজন রোগীকে অপারেশনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় তখনই ডাক্তার বসুদেবের জাদুর ছোয়ায় রোগীর মুখে হাসি ফুটে উঠে। এমনই এক ঘটনার দশম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার- ছোটবেলায় চতুর দুষ্ট স্বভাব থাকায় ৮ বছর বয়সে কানের ভেতর পেন্সিলের রাবার ঢুকিয়ে দেয়, দীর্ঘ ১০ বছর রাবারের এক খন্ড টুকরো কানের পর্দার সাথে আটকে থাকে, হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত ব্যাথা অনুভব হওয়ায় দিশেহারা হয়ে শহরের অনেক নামিদামি ইএনটি ডিপার্টমেন্টের ডাক্তারদের পরামর্শে অজ্ঞান করে কান কেটে রাবার বের করে আনার প্রস্তুতি নেয়, যদিও অপারেশনের আগে পরিবারের শেষ ভরসা ছিলো ডাক্তার বসুদেব- অনেক আশা ভরসা নিয়ে ব্যাথায় জর্জরিত হয়ে অবশেষে বসুদেবের দেখা মিললে প্রযুক্তির লীলাখেলায় মাত্র ৩ সেকেন্ডে কান থেকে রাবার টি বের করে আনলো, এভাবেই হাজারো রোগীর হাসির মাঝে ডাক্তার বসুদেব নামটি খুবই পরিচিত। অথচ প্রযুক্তির অভাবে দেশের সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে এই ডিপার্টমেন্টের নিজস্ব যন্ত্রসামগ্রী না থাকায় দিশেহারা হয়ে নাক, কান, গলা কেটে রোগ নিরাময়ের সিদ্ধান্ত নেয় চিকিৎসক ও রোগী।
মো: সাদিক ডাক্তারের উদ্দ্যশ্যে বলেন, "আমার বাচ্চার কানে খেলনা বল আটকে গিয়েছিল, ডাক্তার বসুদেব খুব সহজেই তা বের করতে সফল হয়েছে"। এমন অনেক হাজারো দৃষ্টান্ত রয়েছে।
