খামেনিকে হত্যার পর ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উল্লাস
ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের নজিরবিহীন যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি রাজনৈতিক মহলে এক চরম বিজয়োল্লাস দেখা দিয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেশট
ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের নজিরবিহীন যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি রাজনৈতিক মহলে এক চরম বিজয়োল্লাস দেখা দিয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাটজ তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ অত্যন্ত কড়া ভাষায় এক আবেগঘন পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, যিনি দীর্ঘকাল ধরে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখতেন, আজ তিনি নিজেই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন এবং এর মাধ্যমে মূলত ঐশ্বরিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সমর্থিত তথাকথিত ‘দুষ্ট শক্তির অক্ষ’ বা রেজিস্ট্যান্স ব্লক এক অপূরণীয় ও মারাত্মক আঘাতের সম্মুখীন হয়েছে।
গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর বিধ্বংসী হামলায় ইরানের যে ব্যাপক পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং যার ফলশ্রুতিতে রোববার খোদ ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে খামেনির শাহাদাত বরণের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, তাকে ইসরায়েল তাঁদের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার পথে সবচেয়ে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই বিজয়ে আত্মতুষ্ট না হয়ে তাঁরা তাঁদের সামরিক অভিযান পূর্ণ শক্তিতে অব্যাহত রাখবেন এবং শত্রুপক্ষের যেকোনো পাল্টা আঘাত মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখবেন। উল্লেখ্য যে, খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ইরান ইতিমধ্যে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গালফ দেশ ও মার্কিন-ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে শুরু করায় পুরো অঞ্চলটি এখন এক ভয়াবহ ও অনিশ্চিত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কবলে পড়েছে, যেখানে ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান সংঘাতকে আরও উসকে দিচ্ছে।
Shamiur Rahman

Please share your comment: