আগামীদিনে টাঙ্গাইল হবে উন্নয়নের রোল মডেল: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে সদর উপজেলার করটিয়া কুমুল্লী নামদার সুফি মিয়াজান হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সুযোগ পেলে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোরগ্যাংমুক্ত করে নিরাপদ আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলবেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে সদর উপজেলার করটিয়া কুমুল্লী নামদার সুফি মিয়াজান হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টুকু বলেন, আমি টাঙ্গাইলের সন্তান। আল্লাহ আমাকে তৌফিক দিলে এই শহরকে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের আদর্শ স্থানে রূপ দিতে চাই। টাঙ্গাইলে কোনো সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি থাকতে দেওয়া হবে না। কিশোররা যাতে সঠিক পথে বেড়ে উঠতে পারে আমরা সেই পরিবেশ তৈরির ব্যবস্থা করব।
তিনি বলেন, ঢাকার এত কাছে হয়েও উন্নয়নের দিক থেকে টাঙ্গাইল পিছিয়ে। রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে। সুযোগ পেলে টাঙ্গাইলকে আগামীদিনে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব। একসময় এই শহরকে শিক্ষানগরী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া নগরী হিসেবে পরিচিত করা হতো। সেই ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কখনোই আপস করেননি, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। সারাজীবন মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, বহুবার তাঁকে বিদেশে থেকে বিলাসবহুল জীবনযাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। খালেদা জিয়া বলেছেন এই মাটিই তাঁর ঠিকানা; মরতে হলে এই মাটিতেই মরবেন, বাঁচতে হলে দেশের মানুষকে নিয়েই বাঁচবেন। দেশের বাইরে তাঁর কোনো ঠিকানা নেই। সেই নেত্রী আজ শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাবে টাঙ্গাইলের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুকু বলেন, আমি নিজে কোনো অন্যায় করব না, অন্যায়কারীকে প্রশ্রয়ও দেব না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আদর্শিক টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই।
Shamiur Rahman
