নোয়াখালীর দাদপুরে মাদক কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

Published: 01 November 2019 00:11

খলিফার হাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপকর্মের হোতারা এখন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের কর্মী বলে পরিচয় দেয়। প্রকৃতপক্ষে যখন যে দল আসে সে দলে ভীড়ে সুযোগসন্ধানী হয়ে অপকর্ম করে সম

এফটি বাংলা

নোয়াখালী সদরের দাদপুর ইউনিয়নের মাদক কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। থানা পুলিশ ও র‍্যাবের কাছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছে না। স্থানীয়দের ভাষ্য; স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জহিরের ছত্রছায়ায় বাশার মুরি ও মুমিন এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা, চাঁদাবাজি, চুরি, জুয়া,নারী নির্যাতন জমিদখল সহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

এলাকার অপর মাদক কারবারি নজরুল তার ছেলেসহ বিপুলসংখ্যক সহযোগী বর্তমানে মাদক কারবারে জড়িত। তাদের মধ্যে আছে মনিপুরের রহমত উল্লাহর ছেলে রায়হান, সোলেমানের ছেলে ছোটন, বড়বাড়ির সফিক জামালের ছেলে নজরুল, বসিরের ছেলে নোমান, আবদুল হাইয়ের ছেলে বাবর। তাদের মূল দল নেতা জহির মেম্বার।

স্থানীয়রা জানান, খলিফার হাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপকর্মের হোতারা এখন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের কর্মী বলে পরিচয় দেয়। প্রকৃতপক্ষে যখন যে দল আসে সে দলে ভীড়ে সুযোগসন্ধানী হয়ে অপকর্ম করে সম্পত্তির পাহাড় করেছে এরা।

নোয়াখালী সদর উপজেলা সন্ধ্যার পরেই চলে মাদকের রমরমা ব্যবসা। এরা সবাই জুয়া খেলে। সাধারণ মানুষ যেন এইসব বাহিনীর কাছে অসহায়। এলাকায় সাধারণ জনগণ জানায় যে মাদকের ছবলে উঠতি বয়সের অনেক মেধাবীরাও আজ মাদকাসক্ত।

সাধারণ মানুষ এই সকল গডফাদারদের বিচার চায়। এদের নামে স্থানীয় থানায় একাধিক মাদক মামলা সহ অন্যান্য মামলা রয়েছে কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদাসীনতায় এরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হচ্ছে। এদের সহযোগী হিসেবে আরও অনেক শাখা প্রশাখা গজিয়ে উঠছে যা পুরো নোয়াখালী সদরে ছড়িয়েছে।

এদের মুল হোতা জহির মেম্বার এর কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফিন্যান্স টুডের এই প্রতিবেদককে বলেন; 'যারা এইসব অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক'। তার বিষয়ে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জহির মেম্বার বলেন, 'আমি মাদক ব্যবসায় জড়িত নই'।

Shamiur Rahman

Related