আউটসোর্সিংয়ের জসিম ও সিপাহী নাসিরের খুঁটির জোড় কোথায়?
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশ মোতাবেক বহিরাগতদের ( আউটসোর্সিং) কাজের সুযোগ নেই। কিন্ত বিশ বছর ধরে লালবাগ বিভাগে আউটসোর্সিং এর কাজ করেন জসিম নামের এক ব্যক্তি। তার দাপটে তটস্থ থাকেন লালবাজ বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি। জসিমের অন্
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশ মোতাবেক বহিরাগতদের ( আউটসোর্সিং) কাজের সুযোগ নেই। কিন্ত বিশ বছর ধরে লালবাগ বিভাগে আউটসোর্সিং এর কাজ করেন জসিম নামের এক ব্যক্তি। তার দাপটে তটস্থ থাকেন লালবাজ বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি। জসিমের অন্যতম বন্ধু সিপাহী আনিসুর রহমান । তারা দুইজন সব কিছুর হর্তাকর্তা। জসিম-আনিসের মাধ্যমেই অফিসার এবং ব্যবসায়ীরা সব ধরণের লেনদেন করে থাকেন। এদিকে সুপারিনটেনডেন্ট আবুল কালাম আজাদের রুম দখল করে রেখেছেন এ্যাসিট্নেট সুপারিনটেনডেন্ট নাসিউর রহমান। সুপারিনটেনডেন্ট আবুল কালাম আজাদ সম্প্রতি লালাবাগ বিভাগে যোগদান করেছেন। তাকে রুম বুঝিয়ে না দেয়ায় কাজের বিঘ্ন্নতার সৃষ্টি হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে জানা যায়, আউটসোর্সিং এর জসিম ও সিপাহী আনিসুর রহমান সব নিয়ন্ত্রণ করেন। আবুল কালাম আজাদ যাওয়ার পর জসিমকে আউটসোর্সিং এর কাজ না করার জন্য নিষেধ করা হয় এবং তাকে অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়। কয়েকদিন বারণ থাকলেও গত রবিবার থেকে জসিম আবার কাজে যোগদান করেছেন বলে জানা গেছে। জসিম উপ কমিশনার (অতিরিক্ত) রাবেয়ার ডিউটি করেন। কেউ কাজের জন্য রাবেয়ার কাছে যেতে চাইলে তাকে বাধা প্রদান করা হয়। কারো কোন কাজ থাকলে জসিমের সাথে করার জন্য এবং বলার জন্য বলে জসিম। সিপাহী আনিসুর হরমান জসিমকে আগলে রেখেছেন। তাকে দিয়ে সব ধরণের লেনদেন করানো হয়। জসিম বহুবছর ধরে লালবাগ অফিসে আউটসোসিংয়ের কাজ করেন। ব্যবসায়ীরা তার মাধ্যমেই অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করে থাকেন। লালবাগ অফিসে সিপাহী আনিস বেশ পাওয়ারফুল।
জানা যায়, লালাবাগ বিভাগের অধিনে আজিমপুর, ঈমামগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ ও হাসনাবাদ নিয়ন্ত্রণ করেন সিপাহী আনিস ও জসিম। এসব এলাকায় কয়েক হাজার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আছে। সব প্রতিষ্ঠান গুলোতে জসিম ও আনিস যাতায়াত করেন এবং মাসিক বখরা আদায় করেন। আনিস কাউকে পরোয়া করেন না।
আউটসোর্সিং এর জসিমের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি কেরানীগঞ্জ জমি ক্রয় করেছেন। আর গ্রামের বাড়ি গজারিয়ার বাউসিয়া ইউনিয়ন। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এড়িয়ে যান।
