'কলকাতা রত্ন' সম্মানে ভূষিত হলেন ড: অরিন্দম বিশ্বাস
অনুষ্ঠানে ড: অরিন্দম বিশ্বাসের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন সমীর চট্টোপাধ্যায় এবং কলকাতা রত্ন সম্মাননা পদক তুলে দেন রানী রাসমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক অমিয় কুমার পন্ডা
কলকাতায় গীতাঞ্জলি কর্তৃক আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে আর এন ঠাকুর হাসপাতালের বিখ্যাত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক ড: অরিন্দম বিশ্বাসকে 'কলকাতা রত্ন' সম্মানে ভূষিত করেছে।
কলকাতার বাইপাস রোডে অবস্থিত স্প্রিং ক্লাবে এই বিষয়ে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই অনুষ্ঠানে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন ড: অরিন্দম বিশ্বাস এবং মলয়া দাস।
অনুষ্ঠানে ড: অরিন্দম বিশ্বাসের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন সমীর চট্টোপাধ্যায় এবং কলকাতা রত্ন সম্মাননা পদক তুলে দেন রানী রাসমণি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক অমিয় কুমার পন্ডা।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে গণমাধ্যমের সাথে মতবিনিময়ের সময়ে ড: অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, যেকোনো পুরস্কার মানুষকে সর্বদাই অনুপ্রাণিত করে। আমার মতো অতি নগণ্য একজন চিকিৎসককে এরকম সম্মাননা প্রদান করায় আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। আমি সত্যিই অনেক অভিভূত। এই সম্মাননা পাওয়ার ফলে মানুষের প্রতি আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা বোধহয় আরো বেড়ে গেলো।
তিনি বলেন, আমি শুধু একজন চিকিৎসকই নই একই সাথে এই শহরের একজন নাগরিকও। একজন চিকিৎসকের দায়িত্ব শুধু রোগীকে শারীরিকভাবে সুস্থ করাই নয় মানসিকভাবেও তাকে সুস্থ করতে হবে। আমি সর্বদাই আমার রোগীদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ করে তুলতে চেষ্টা করি।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম যখন করোনা ভাইরাস আঘাত হানে তখন মানুষ অসচেতন ছিল। রোগটি ছিল অজানা, ছিল না কোন প্রতিষেধক। ফলে অজানা আতঙ্কে মানুষের প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটেছিল। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর ও প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধক কিছু অনুশাসন মেনে চললে এবার আর করনা ভাইরাস আমাদের বেশি আক্রান্ত করতে পারবে না।
এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত জাদুকর পি সি সরকার, ক্রিকেটার সম্বরন বন্দ্যোপাধ্যায়, ফুটবলার প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজস্ব বিভাগের যুগ্ন কমিশনার ও প্রখ্যাত আলোক চিত্রশিল্পী অনুপম হালদার, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, ড: এমপি রোজারিও, সুবিমল দাস, অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, অভিনেত্রী মমতা শংকর, তনুশ্রী চক্রবর্তী, সংগীতশিল্পী লোপা মিত্র সহ আরও অনেকেই।
Shamiur Rahman
