সৌহার্দ্যময় রাজনীতি ট্রাম্প-কমলা

Published: 07 November 2024 11:11

তৃতীয় দফায় ভোটের লড়াইয়ে নেমে জয়ী হয়ে ভেঙেছেন ১৩২ বছর আগের এক রেকর্ড। ইতিহাস গড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে বেশ ভালো

তৃতীয় দফায় ভোটের লড়াইয়ে নেমে জয়ী হয়ে ভেঙেছেন ১৩২ বছর আগের এক রেকর্ড। ইতিহাস গড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে বেশ ভালো ব্যবধানে পরাজিত করেছেন তিনি।
এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কমালা হ্যারিস। এ সময় ট্রাম্পের কাছে নিজের পরাজয় মেনে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কমালা। খবর বিবিসি।
তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্পকে কমালা শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া তাকে সব আমেরিকানের প্রেসিডেন্ট হওয়ার অনুরোধ করেছেন কমালা হ্যারিস।
এদিকে মার্কিন নির্বাচনে হারের পর বুধবার বিকেলে প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে বক্তব্য দিয়েছেন কমলা হ্যারিস। ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটিতে এক অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে কর্মী-সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আজ আমার হৃদয় পরিপূর্ণ হয়েছে। আপনারা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞ। আমাদের সব ভালোবাসা দেশের জন্য।’
এসময় কমলা হ্যারিস তার সমর্থকদের হতাশ না হতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘কখনো হাল ছেড়ে দেবেন না; লড়াই চালিয়ে যাবেন। এর মধ্যদিয়ে আমেরিকা সব সময় উজ্জ্বল থাকবে।’
ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে কমলা বলেন, ‘আজ আমি নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোনে তার বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি। তাকে বলেছি, আমরা তার দলকে ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করবো। আমাদের দেশে নির্বাচনে পরাজিত হলে তা মেনে নেওয়া আমাদের গণতন্ত্রের মূল নীতি।
সমর্থকদের ভোটের ফলাফল মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে হ্যারিস বলেন, ‘আমি জানি এই মুহূর্তে আমদের মধ্যে অনেক আবেগ অনুভূতি কাজ করছে। আমি বুঝতে পারছি। তবে আমাদের অবশ্যই এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে হবে।’
বিবিসির তথ্যমতে, গত মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজের মধ্যে রিপাবলিকান ট্রাম্প পেয়েছেন ২৯৪টি। যেখানে বিজয়ী হতে প্রয়োজন ২৭০টি ইলেক্টোরাল কলেজ। আর প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ২২৩টি।

Related