শহীদদের শ্রদ্ধা ও নতুন নেতৃত্বের অভিষেক

Published: 03 March 2025 15:03

গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারী নাকোল রাইচরণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের স্মরণে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হোসেন এর নেতৃত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব

গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারী নাকোল রাইচরণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের স্মরণে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হোসেন এর নেতৃত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা একসঙ্গে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

অনুষ্ঠানে মির্জা ওয়ালিদ হোসেন বলেন, "পিলখানা হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়, যা কখনও ভোলার নয়। শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় ঐক্য ও নিরাপত্তা রক্ষার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।"

এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব কিশোর এবং প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তারা শহীদদের আত্মত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষার ভূমিকা সম্পর্কে কথা বলেন। পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার গুণাবলি অর্জনের আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারাও শোকসভায় অংশ নেন এবং শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। সবাই একমত হন যে, এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা যেন আর কখনও না ঘটে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

একই দিনে, মির্জা ওয়ালিদ হোসেন ( শিপন) আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরাম এর সভাপতিও। তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মাগুরার বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মির্জা ওয়ালিদ হোসেন বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি স্কুলের ঐতিহ্য, শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সদস্যরাও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য একসঙ্গে কাজ করার শপথ নেন।
অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

Related