কুয়েত বিমানবন্দরে জ্বালানি ট্যাংকে ড্রোন হামলা
কুয়েতের আকাশসীমায় হঠাৎ 'শত্রুভাবাপন্ন ড্রোনের ঢেউ' হানা দেওয়ার ফলে রোববার সকালে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত জ্বালানি ট্যাংকগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়, যা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও অব
কুয়েতের আকাশসীমায় হঠাৎ 'শত্রুভাবাপন্ন ড্রোনের ঢেউ' হানা দেওয়ার ফলে রোববার সকালে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত জ্বালানি ট্যাংকগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়, যা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও অবকাঠামোর ওপর এক সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কুয়েতি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন যে, একঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোনের পরিকল্পিত হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বিমানবন্দরের এই প্রধান জ্বালানি ভাণ্ডারগুলো, তবে সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে সেই ড্রোন আক্রমণ মোকাবিলা করেছে।
এই ঘটনার মাত্র কয়েক মিনিট আগেই কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুই সীমান্ত নিরাপত্তা কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর ঘোষণা করে পুরো দেশজুড়ে শোক ও উত্তজনা ছড়িয়ে দেয়; যদিও সামরিক বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে লড়াই করে বিমানবন্দরের সেই বিধ্বংসী আগুন শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহকারী দেশের প্রধান বিমানবন্দরে এই ধরণের ড্রোন হামলা দেশটির আকাশসীমা সুরক্ষার চ্যালেঞ্জকে নতুন করে সামনে এনেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
Shamiur Rahman

Please share your comment: