জুলাই সনদ ‘অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ ঘোষণা চেয়ে রিট
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করে 'জুলাই জাতীয় সনদ'-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করে 'জুলাই জাতীয় সনদ'-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে, যেখানে এই সনদটিকে বর্তমান সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক ও অবৈধ হিসেবে ঘোষণার পাশাপাশি এর সকল কার্যক্রমের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রদানের আর্জি জানানো হয়েছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এই আবেদনটি দাখিল করেন এবং তিনি জানিয়েছেন যে, আগামী সপ্তাহের দিকে বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এই রিট পিটিশনে বিবাদী করা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। উল্লেখ্য যে, এই আইনি লড়াই কেবল সনদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; এর ঠিক একদিন আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী এবিএম আতাউল মজিদ তৌহিদ গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিতর্কিত গণভোটের আইনি ভিত্তি এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এর ফলাফল বাতিলের দাবিতে আরও একটি পৃথক রিট দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, সেই আলোচিত গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে 'হ্যাঁ' জয়যুক্ত হয়েছিল, যেখানে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেন এবং প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং ২ কোটি ২৫ লাখের বেশি মানুষ এর বিপক্ষে অবস্থান নেন, যা নিয়ে এখন দেশের উচ্চ আদালতে তীব্র আইনি ও সাংবিধানিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।
Shamiur Rahman
