কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারেট
ঢাকা পশ্চিম আউটসোর্সিংয়ের ছড়াছড়ি
আউটসোর্সিং কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে এনবিআর এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু কাস্টমস ও ভ্যাট এর বিভিন্ন অফিস গুলোতে আউটসোর্সিং কর্মচারী দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে।
আউটসোর্সিং কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে এনবিআর এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু কাস্টমস ও ভ্যাট এর বিভিন্ন অফিস গুলোতে আউটসোর্সিং কর্মচারী দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও রাজস্ব কর্মকর্তাগন গ্রাহকের সাথে আউটসোর্সিং কর্মচারী দিয়ে অবৈধ লেনদেন করছেন একাধিক ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে এ অভিযোগ জানা গেছে। তাদের মতে, ভ্যাট অফিস গুলোতে গ্রাহককে নিয়মিত যেতে হয় তাই গ্রাহকরা মুখ বুজে সবকিছু মেনে নিচ্ছে এবং সহ্য করছেন।
এই ব্যাপারে ভ্যাট জোন পশ্চিম বিভাগ কমিশনারকে ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
নিম্নে আউটসোর্সিং পশ্চিম বিভাগ বহিরাগতদের তালিকা দেয়া হলোঃ কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট মানিকগঞ্জ বিভাগ মোঃ সুজন, ( মানিকগঞ্জ সার্কেল ও বিভাগ ) কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট টাঙ্গাইল বিভাগ মোঃ রাশেদুল ইসলাম ( লিডার ) টাঙ্গাইল বিভাগ, মোঃ মান্নান কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সাভার বিভাগ মোঃ নাছের ( লিডার ) আশুলিয়া সার্কেল, মোঃ মিলন ( আশুলিয়া সার্কেল) মোঃ ( আরিফ রাজাসন সার্কেল ), মোঃ হানিফ ( সাভার সার্কেল), মোঃ বিদ্যুৎ ( ইয়ারপুর সার্কেল) মোঃ সজিব ( সাভার বিভাগ), মোঃ সেলিম ( সাভার বিভাগ) মোঃ মোহাসিন (সাভার বিভাগ) কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ধামরাই বিভাগ, মোঃ মাইনুল কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট মোহাম্মদপুর বিভাগ, মোঃ শান্ত (লিডার- শ্যামলী সার্কেল ও মোহাম্মদ বিভাগ), মোঃ আরিফ ( শ্যামলী সার্কেল), মোঃ সাগর (রাজাবাজার সার্কেল) ও মোঃ শিবলু (মোহাম্মদপুর সার্কেল)।
উক্ত এ সকল বহিরাগত কারনে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছেন এবং অসংখ্য ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগণ নাম বলতে অনিচ্ছুক তারা বলেন এদের কারনে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছেন।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র দপ্তর থেকে ফাঁস হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে। এদের সাথে যারা সরকারি জাতীয় রাজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।
